1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
শেরপুরে মায়ের বিরুদ্ধে শিশুকে হত্যার অভিযোগ কেশবপুরে ৫শত বছর বয়সী বনবিবি তেঁতুল গাছটি সংরক্ষণের দাবি নালিতাবাড়ীতে খালাতো ভাইকে দিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ নালিতাবাড়ীতে খেলার মাঠে গরুর হাট ও কাঁচাবাজার সরানোর দাবিতে মানববন্ধন শ্রীবরদীতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের শীতকালীন সবজি বীজ বিতরণ কেশবপুরে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত কেশবপুরে “নিরাপদ সড়ক চাই” প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত নকলায় গরুবাহী ট্রাক দুর্ঘটনায় ১৩টি গরুসহ একজন নিহত কেশবপুরের ডহুরী জলমহল হস্তান্তর করার পূর্বেই বিষ প্রয়োগ, ২৪ লাখ টাকার দেশীয় মাছের ক্ষতি শ্রীবরদীতে ইটভাটার পাহারাদার হত্যা মামলার তিন আসামী গ্রেফতার

ইসলামাবাদে প্রথম হিন্দু মন্দির নির্মাণে বাধা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০
  • ১৮ Time View

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে প্রথম হিন্দু মন্দির নির্মাণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যদিও এ মন্দির নির্মাণের জন্য সরকারই অনুদান দিয়েছিল। কিন্তু ইসলামি সংগঠনের ফতোয়া জারির পর পিছু হটেছে ইমরান সরকার। 

দ্য গার্ডিয়ান জানায়, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের জোটসঙ্গী পাকিস্তান মুসলিম লিগ– কায়েদ (পিএমএল-কিউ) ‘মন্দির নির্মাণ ইসলামি আদর্শের পরিপন্থী’ বলে বিরোধিতা করে।

এর আগে লাহোরভিত্তিক ইসলামি সংগঠন জামিয়া আশরাফিয়া হিন্দু মন্দির নির্মাণের বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করে।

ফলে পাকিস্তানের ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (সিডিএ) প্রস্তাবিত মন্দিরের নির্মাণকাজ বন্ধ রেখেছে।

জানা গেছে, পাকিস্তান সরকার এ মন্দির নির্মাণের জন্য অনুমতি দেয় এবং প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নিজেই এ মন্দির নির্মাণে ১০ কোটি টাকা অনুদান দেন।

মানবাধিকার সংক্রান্ত পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি লাল চাঁদ মালহির উপস্থিতিতে ওই মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০ হাজার বর্গফুটের ওই শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরে একটি শ্মশান ও কমিউনিটি হল নির্মাণের কথা ছিল।

ইসলামাবাদের হিন্দুরা দীর্ঘদিন ধরেই সরকারের কাছে উপাসনার জন্য একটি মন্দির ও শ্মশানের জন্য জায়গা চেয়ে আসছিলেন।

শেষ পর্যন্ত ইমরান সরকার ওই মন্দির নির্মাণের জন্য জায়গা ও অর্থ বরাদ্দ দেয়। ২০১৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর পাকিস্তানের ৮০ লাখ হিন্দু জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার অঙ্গীকার করেছিলেন ইমরান খান।

গত সপ্তাহে মন্দিরটির সীমান প্রাচীর নির্মাণ শুরু হয়। এরইমধ্যে ইসলামি সংগঠনের পক্ষ থেকে আদালতে পিটিশন দাখিল করা হয়।

জানা গেছে, সরকার বিষয়টি ইসলামিক আদর্শ বিষয়ক কাউন্সিলের হাতে ছেড়ে দিয়েছে। ইসলামি আইন কী বলে সে বিষয়টি তারা জানাবেন। তবে পাকিস্তানের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা ধর্মীয় নেতা ও আলেমদের সঙ্গে এ বিষয়ে পরামর্শ করছেন।

আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রাজা খালিদ বলেছেন, মন্দির নির্মাণ বন্ধ করা হলে তা পাকিস্তানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আর বিচারক বলেছেন, ইসলামিক আদর্শ বিষয়ক কাউন্সিলের বক্তব্য না আসা পর্যন্ত রায় দেওয়া হবে না।

এদিকে মন্দির নির্মাণ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে বলেছে, পাকিস্তানের সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ইসলামাবাদের কোনো হিন্দু মন্দির গড়ে ওঠেনি। ২০১৭ সালে এ মন্দির নির্মাণের অনুমোদন দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। কিন্তু বিভিন্ন কারণে তা দীর্ঘসূত্রিতার মুখে পড়ে।

বাংলাদেশ সময়: ২২০০ ঘণ্টা, জুলাই ১১, ২০২০

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।