1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কেশবপুর পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম আবারো মেয়র পদে আওয়ামী লীগের চুড়ান্ত প্রার্থী পৌরসভা নির্বাচনে নালিতাবাড়ীতে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী বাছাই শ্রীবরদী পৌরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটে আ’লীগের প্রার্থী বাছাই: বিজয়ী সফিক শেরপুর পৌর নির্বাচন : আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটে শেরপুরে আনিস বিজয়ী কেন্দ্রীয় নির্দেশনা উপেক্ষা প্রতিবাদে আ’লীগের এক মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংবাদ সম্মেলন তুরস্কে হ‌বে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য,বাংলা‌দে‌শে হ‌বে আতাতুর্কের ভাস্কর্য অঝোরে কাঁদলেন অপু বিশ্বাস! দ্বিতীয় ধাপে ৬১ পৌরসভার ভোট ১৬ জানুয়ারি শেরপুরে মায়ের বিরুদ্ধে শিশুকে হত্যার অভিযোগ কেশবপুরে ৫শত বছর বয়সী বনবিবি তেঁতুল গাছটি সংরক্ষণের দাবি

লালমনিরহাটে চাষ হচ্ছে ড্রাগন ফল

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০
  • ২৫ Time View

লালমনিরহাট: লালমনিরহাটে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে আমেরিকার জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর ফল ড্রাগন। শখের বাগানে ফুল ও ফল আসায় উৎসুক জনতা ভিড়ছেন ড্রাগন বাগান দেখতে।

বড় কমলাবাড়ি বটতলা এলাকায় গতবছর নিজেদের ৬৫ শতাংশ জমিতে পাঁচ শতাধিক পিলারে ২০ হাজার চারা রোপণ করে তৈরি করেন ড্রাগন বাগান। নাটোর জেলা থেকে ড্রাগন ফলের চারা ক্রয় করেন তারা। দেড় বছর বয়সে ফল দেওয়ার কথা থাকলেও তা ১০-১১ মাসেই ফল দেওয়া শুরু করেছে। বিদেশি এ ফল ও বাগান দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষজন ভিড় জমায় আবু তালেবের ড্রাগন বাগানে।

আবু তালেবের ভাই আব্দুল্লা বাংলানিউজকে জানান, প্রথম দিকে জমি ভাল করে কর্ষণ দিয়ে নির্দিষ্ট দূরুত্বে গর্ত করে জৈব ও কীটনাশক সার দিয়ে গর্ত ঢেকে রাখা হয়। এরপর প্রতিটি গর্তে পাঁচ ফিট উচু একটি করে সিমেন্টের আরসি পিলার বসানো হয়। যে পিলারে দাঁড়াবে ড্রাগন গাছ। এরপর প্রতিটি পিলারের চার দিকে একটি করে মোট চারটি ড্রাগন চারা রোপণ করা হয়। এরপর পরিচর্যা করে গাছ পাঁচ ফিট লম্বা হলে সেখানে ঝুলে থাকার জন্য প্রতিটি পিলারের মাথায় গাড়ির টায়ার বেঁধে দিতে হয়। টায়ার পর্যন্ত গাছ উঠে গেলে গাছের আগা ভেঙে দিতে হয়। তবে অনেকগুলো শাখা প্রশাখা তৈরি হবে। প্রতিটি শাখা প্রশাখার ডাটায় ফুল ও ফল আসবে। আস্তে আস্তে শাখা প্রশাখায় ঢেকে নেবে পুরো এলাকা। এভাবে একবার চারা রোপণ করে আজীবন  পাওয়া যায় ড্রাগন ফল। তাদের বাগানের বয়স মাত্র ১০-১১ মাস। এতেই ফল এসেছে। একটি গাছে অসংখ্য ফল আসে। প্রতি চারটি ড্রাগনের ওজন হবে এক কেজি।
লালমনিরহাটে চাষ হচ্ছে জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর ফল ড্রাগন
আবু তালেবের বড় ভাই আবুল হাশেম বাংলানিউজকে বলেন, তাদের এ বাগান তৈরিতে খরচ হয়েছে প্রায় সাত লাখ টাকা। তবে প্রথমে খরচ হলেও পরবর্তীতে শুধুই পরিচর্যা। পরিচর্যা করলে সারা জীবন ড্রাগন ফল পাওয়া যাবে এ বাগান থেকে। প্রথম দিকে বাগান ফাঁকা থাকে। তাই ড্রাগনের সাথী ফসলের চাষ করা যায়। তারা সাথী ফসল হিসেবে বিভিন্ন জাতের সব্জি চাষ করেন। বর্তমানে ড্রাগনের সাথী ফসল হিসেবে রয়েছে কাঁচা মরিচ। সবজি চাষাদের আয়েই পরিবারের খরচ যোগানো যায়। ড্রাগন ফল হবে মুনাফা। যা সারা জীবন আয় করা যাবে। এলাকায় প্রথম হিসেবে দূর-দূরান্ত থেকে ড্রাগন ফল ও বাগান দেখতে প্রতিদিন মানুষজন ভিড় করে। যারা আসে তাদের সবাইকে বাগান করার উৎসাহ দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।

বড় কমলাবাড়ি গ্রামের রেজাউল করিম রাজ্জাক বাংলানিউজকে বলেন, সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও ঔষধি গুণ থাকায় এ ফলের দেশে চাহিদা অনেক বেড়েছে। তাই জেলার সৌখিন কৃষকেরা এ বাগান দেখতে আসছেন এবং নিজেরাও ড্রাগন বাগান করার কৌশল জেনে নিচ্ছেন। আগুন্তুকদের অনেকেই বাগান করার আগ্রহ দেখাচ্ছেন। সে অনুযায়ী আগামীতে জেলায় ড্রাগন চাষ বাড়তে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কমলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আলাল উদ্দিন আলাল বাংলানিউজকে বলেন, শখের করা ড্রাগন বাগানটি এখন ওই পরিবারের একটি আয়ের মাধ্যম হতে চলেছে। এখন অনেক আগ্রহী কৃষক ড্রাগন চাষ করার কৌশল জানতে ওই বাগানে আসেন।

আদিতমারী উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আলীনুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, ড্রাগন খুবই পুষ্টিকর একটি ফল। শখের বসে হলেও আবু তালেবের ড্রাগন বাগানটি বাণিজ্যিক। সৌখিন কৃষকরা নিজেদের পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণে বাড়ির পাশে দু’চারটি করে ড্রাগন গাছ লাগাতে পারেন। সেই লক্ষ্যে কৃষিবিভাগ পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এ জেলায় ব্যাপকভাবে ড্রাগন চাষ হবে বলেও আশাবাদ ব্যাক্ত করেন তিনি।

বাংলাদেশ সময়: ০৯০০ ঘণ্টা, জুলাই ১১, ২০২০

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।