1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম

শুধু বিশেষ পরিস্থিতিতে ভার্চ্যুয়াল আদালত অবলম্বন করা হবে

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০
  • ১৬ Time View

ঢাকা: শুধু অস্বাভাবিক বা বিশেষ কোন পরিস্থিতির জন্য ভার্চ্যুয়াল কোর্ট প্রথা অবলম্বন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, ভার্চ্যুয়াল কোর্ট সম্পর্কিত অধ্যাদেশটি স্থায়ী আইনে পরিণত হলেও সেটার ব্যবহার হবে বিশেষ পরিস্থিতিতে।

রোববার (০৫ জুলাই) রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবন মিলনায়তনে সহকারী জজদের অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন আইন সচিব মো. গোলাম সারওয়ার। সভাপতিত্ব করেন বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মুসা খালেদ।

আইনমন্ত্রী বলেন, ভার্চ্যুয়াল আদালত সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য বিচারকদের পাশাপাশি আইনজীবীদেরও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর এই পৃথিবীতে ভার্চ্যুয়াল কোর্ট প্রথা চালু হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, ভার্চ্যুয়াল কোর্ট স্বাভাবিক বিচার ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বদলিয়ে বিকল্প হিসেবে কাজ করার জন্য নয়। সংবিধান, সিআরপিসি (ফৌজদারি কার্যবিধি), সিপিসি (দেওয়ানি কার্যবিধি) এবং সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী আদালতের কাজ স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে যে প্রচলিত পদ্ধতিতে পরিচালনা করা হয় সেটাই বলবৎ থাকবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি সেবার সঙ্গে বিচারক ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের সমানতালে এগিয়ে নিতে চায়। একই সঙ্গে সরকারি আইনি সেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এমন একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চায় যেখানে সকল মানুষ তার আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় সেবাসমূহ সহজেই গ্রহণ করতে পারবেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর বিচারকার্যক্রমকে সচল রাখার লক্ষ্যে সরকার দ্রুততম সময়ে ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০’ তথা ভার্চ্যুয়াল কোর্ট পরিচালনা আইন প্রণয়ন করে যা বিচার বিভাগকে আধুনিক ও গতিশীল করার জন্য একটি যুগান্তকারী আইন।

আনিসুল হক বলেন, এই আইন দেশের বিচার বিভাগকে নতুন যুগে প্রবেশ করিয়েছে। সরকার বিগত ৯ মে ভার্চ্যুয়াল আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারির পরের দিনই ভার্চ্যুয়াল আদালত গঠন করা হয় এবং ১১ মে থেকে সীমিত পরিসরে বিচার কার্যক্রম চালু করা হয়।

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ১১ মে থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত ৩৫ কার্যদিবসে সারা দেশের অধস্তন আদালতের বিজ্ঞ বিচারকগণ ভার্চ্যুয়াল শুনানির মাধ্যমে মোট ৯৫ হাজার ৫২৩টি জামিন আবেদন নিষ্পত্তি করেছেন এবং একই সময়ে ৪৯ হাজার ৭৬২ জন আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ হওয়ার কারণে। এটি সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণ সহযোগিতার কারণে।

এ বছরের পহেলা জানুয়ারি সহকারী জজ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ে চারমাস মেয়াদি বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু করা হয়। ৮ মার্চ বাংলাদেশে করোনাজনিত রোগ কোভিড-১৯ প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর ২৩ মার্চ কোর্সটি স্থগিত ঘোষণা করা হয়। অনলাইনের মাধ্যমে সেই কোর্স সম্পন্ন করতে রোববার পুনরায় তা উদ্বোধন করেন আইনমন্ত্রী।

বাংলাদেশ সময়: ১৬১৮ ঘণ্টা, জুলাই ০৫, ২০২০

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।