1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ১১:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ঝিনাইগাতীর ধানশাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হায়দার আলীর মতবিনিময় সভা  কেশবপুরে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরের সেই বিতর্কিত ডিসি শাস্তি পেলেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পেলেন নালিতাবাড়ী উপজেলার বাদশা ও গোপাল নলকুড়া ইউনিয়নে ভিজিডি কার্ডের চাল বিতরন ঝিনাইগাতীর ধানশাইল ইউনিয়নের নৌকার মাঝি হতে চান এনামুল পুলিশ লাইন্স একাডেমি‌তে প্রধান শিক্ষক হি‌সে‌বে কালা‌মের যোগদান ঝিনাইগাতীতে ৮৮বছর বয়সেও বাউল আব্দুর রহমানের ভাগ্যে জুটেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড জামালপুরের তিনটি পৌরসভায় নৌকার জয় কেশবপুর পৌরসভায় নৌকার প্রার্থী বিজয়ী

ভিক্ষার টাকায় কেনা জমি বিক্রি করে নিরুদ্দেশ ছেলে, অতঃপর…

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০
  • ৮৫ Time View

হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

স্বামীহারা ৭২ বছর বয়সী বৃদ্ধা সালেমুন নেছা বয়সের ভারে ক্রমাগত নুয়ে পড়েছেন। ভিক্ষে ছাড়া মিলেনা একমুঠো খাবার। তিনি হালুয়াঘাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব গোবড়াকুড়া গ্রামের মৃত হাফিজুর রহমানের স্ত্রী।

১৯৭২ সালে স্বামী পরিত্যক্ত হবার পর থেকে একমাত্র ছেলে আহাম্মদ আলীকে নিয়ে ভিক্ষা করে দিনাতিপাত করেছেন। অথচ ভিক্ষার টাকায় কেনা ৫ শতাংশ জমি ফুসলিয়ে বিক্রি করে নিরুদ্দেশ হয়ে যায় ছেলে। এরপর ভিটেমাটি হাড়িয়ে আশ্রয় মিলে পার্শবর্তী ইয়াসিন মিয়ার বাড়িতে, সেখানে ঝুপড়ি ঘরে বাসবাস করছেন।

সম্প্রতি পেটের দায়ে দিনব্যাপী টানা বৃষ্টির মধ্যে ভিক্ষা করছিলেন তিনি। বৃদ্ধা মায়ের এই আকুতি চোখে পরে এক স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সুমন আহমেদের।

স্বেচ্ছাসেবী সুমন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে এই বৃদ্ধ মায়ের ছবিটি। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসলে গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) হালুয়াঘাট উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুর রহমান সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে সেই উদ্যোমী তরুণ সুমনকে সঙ্গে নিয়ে পূর্ব গোবরাকুড়ার বাড়ি থেকে বৃদ্ধাকে নিয়ে আসেন হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। চিকিৎসা শেষে ওইদিন উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসের পক্ষ থেকে তার হাতে তুলে দেওয়া হয় খাদ্য সামগ্রী ও বয়স্কভাতার একটি কার্ড।
বৃদ্ধ সালেমুন নেছা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কেউ তার কোন খোঁজ খবর রাখেন না। তাই বাধ্য হয়ে ভিক্ষা করে জীবন নির্বাহ করতেন।

তরুণ সুমন আহমেদ জানান, বিবেকের তাড়নায় চেষ্টা করেছি এই বৃদ্ধা মায়ের জন্য কিছু করার। প্রশাসন এই বৃদ্ধা মায়ের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

এ বিষয়ে সমাজসেবা অফিসার আব্দুর রহমান জানান, এই বৃদ্ধ মা যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন তার সন্তানের ভূমিকা পালন করে যাব এবং যেভাবেই হোক তার চিকিৎসা এবং খাদ্যের ব্যবস্থা আমি করে যাব।

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এই বৃদ্ধ মায়ের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। তার নিজস্ব কোন ভূমি নেই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি থাকার ঘর করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতি সপ্তাহে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী প্রদানের বিষয়টি অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।