1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন নির্বাচনে নজীব আশরাফ সভাপতি জুয়েল সাধারণ সম্পাদক পুনঃনির্বাচিত কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙল দুর্বৃত্তরা কেশবপুরে স্বাধীনতার বিজয় স্মৃতিস্তম্ভটি ভেঙে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা কেশবপুরে ওসির হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে বন্ধ গ্রামের কাগজের সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিছিল, কেশবপুর প্রেসক্লাবের নিন্দা ও ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম সাংবাদিকের মায়ের রোগ মুক্তি কামনা করেছেন শ্রীবরদীতে লিগ্যাল এইডের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা কেশবপুর পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম আবারো মেয়র পদে আওয়ামী লীগের চুড়ান্ত প্রার্থী পৌরসভা নির্বাচনে নালিতাবাড়ীতে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী বাছাই শ্রীবরদী পৌরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটে আ’লীগের প্রার্থী বাছাই: বিজয়ী সফিক

চতুর্মুখি সংকটে শেরপুরের কয়েকশ চাতাল ব্যবসায়ি!

মাসুদ হাসান বাদল
  • Update Time : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০
  • ৯৭ Time View

কয়েক বছরের লোকসানে লোকসানে বন্ধ হয়েছে জেলার কয়েকশ চাতাল। বৈশ্বয়িক মহামারি করোনা,সম্প্রতিক বন্যা ও বাজারে ধান সংকট ফলে কোন রকম টিকে থাকা চাতালের উৎপাদন এখন বন্ধ। বাজারে ধান নেই আবার লোকসানে সরকারকে চাল সরবরাহ করতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। চাল না দিলে শাস্তির খড়গ-সবমিলিয়ে চতুর্মুখি সংকটে মাথায় হাত শেরপুরের কয়েকশ চাতাল ব্যবসায়ির। বেশী দামে ধান কিনে চাল উৎপাদন করে সরকারি গুদামে দিলে প্রতি কেজিতে লোকসান গুনতে হচ্ছে ৪ থেকে ৫ টাকা। এই লোকসান মেনে অটো মিল মালিকরা সরকারকে চাল দিতে বাধ্য হলেও বেশীর ভাগ চাতাল মালিক চাল দিতে পারছে না।
জানা গেছে শেরপুর জেলায় এ বছর বোর সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা সিদ্ধ ২৫ হাজার ৬২ মেঃটন ও আতপ ২ হাজার ৫৫৮ মেঃটন সর্বমোট ২৭ হাজার ৬২০ মেঃটন। প্রতিকেজি চালের দাম নির্ধারন করা হয়েছে সিদ্ধ ৩৬ টাকা,আতপ ৩৫ টাকা। গত ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত জেলার ৪৯৭ জন চাতাল ও ৪৯জন অটো মিল মালিক সরকারকে চাল সরবরাহ করার শর্তে জামানত দিয়ে জেলা খাদ্য বিভাগের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। আগামি ৩০ আগস্ট পর্যন্ত চাল এই বোর সংগ্রহ চলবে। আতপ সিদ্ধ সংগ্রহ হয়েছে মোট ১৫হাজার ৯৬৬ মেঃটন। অর্থাৎ অর্জনের হার শতকরা ৫৭.৮০ভাগ। এই অবস্থায় সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অসম্ভব বলে জানিয়েছে সূত্র। মিল মালিক সূত্র জানিয়েছে মিলের লাইসেন্স ও জামানত বাঁচাতে বড় পূঁজির অটো মিল মালিকরা লোকসান মেনে বেশীর ভাগ চাল সরবরাহ করেছে। কিন্ত চাতাল মালিকরা পাচ্ছে না। জেলা খাদ্য বিভাগ বারবার তাগিদ ও চাপ দিচ্ছে কিন্ত চাতাল মালিকরা লোকসানের আতংকে কিছুই শুনছে না। চাতাল মালিকরা জানিয়েছে দূর্যোগে সব শেষ। তার উপর মরার উপর খারার গা হয়ে দাড়িয়েছে খাদ্য গুদাম। প্রতি কেজি চাল উৎপাদনে খরচ পড়ে ৩৯ খেকে ৪০ টাকা আর সরকারকে দিতে হয় ৩৬টাকায়। চাতাল মালিকরা নানামুখি লোকসানের কারণে অনেকেই পথে বসে গেছে যারা কোন রকমে টিকে আছে তাদেরও এবার মাজা ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। অনেকেই পালিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন চাতাল মালিক বলেছেন করোনায় সবাই সরকারের ছাড় পাচ্ছে, জীবন বাঁচানোই বড় দায় সেখানে মিল মালিকরা লোকসানে সরকারকে চাল দিতে বাধ্য হচ্ছে। আবেদ রাইস মিলের মালিক মোঃ খুরম জানিয়েছে গুদামে চাল দিলে লোকসান না দিলে শাস্তি। তাই গিলতেও পাচ্ছি না-ফেলতেও পাচ্ছি না।
শেরপুরের বিশিষ্ঠ চাল ব্যবসায়ি আলহাজ হায়দার আলী জানিয়েছে একদিকে লোকসান অন্যদিকে নানা সংকটে ই”্ছা থাকা সত্বেও চাল সরকারকে দিতে পাচ্ছি না। আর সরকারি দাম নির্ধারন করা হয়েছে গতানুগতিক,বাস্তবতা চিন্তা করা হয়নি।
এই অবস্থায় সরকারি মূল্য পুনঃবিবেচনা করে চাতাল মালিকদের পাশে দাড়াতে সরকারকে অনুরোধ করে মিল মালিক সমিতির ও শেরপুর চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি আছাদুজ্জামান রৌশন বলেছেন এ অবস্থায় সরকারকে চাল দিলে অনেক চাতাল মালিক পথে বসবে।

শেরপুর জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফরহাদ খন্দকার জানিয়েছে চুক্তি করা ব্যবসায়িদের চাল সরবরাহ করতে সকল প্রকার চেষ্ঠা চলছে। যারা চুক্তি করে চাল দিবে না সরকার তাদের ব্যাপারে আইনগত যা ব্যবস্থা নিবে। শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।