1. [email protected] : somoyerahoban :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১২:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
করোনায় আক্রান্তদের পাশে শেরপুরের এক ঝাঁক যুবক। গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগ শেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে গরীব মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগ শেরপুর জেলা শাখা সভাপতি মোঃশফিকুল ইসলাম ফারুক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। নালিতাবাড়ী নয়াবিল ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরন শেরপুরে কমরেড আবুল বাশার ব্রি‌গেড স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরণ নালিতাবাড়ীতে ২৫০ অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঝিনাইগাতীতে সাংবাদিকের পিতার ইন্তেকাল সুনামগঞ্জের বাদাঘাটে জমে উঠেছে বৃহৎ কোরবানীর পশুর হাট নালিতাবাড়ীতে ২৫০ অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

একসঙ্গে ৫ শিশুর জন্ম; বাঁচানো গেল না তিনজনকে ,ব্যয়বহুল চিকিৎসায় বিত্তবানদের সহায়তা চান বাবা

অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২০
  • ১৩৬ Time View

কুমিল্লার লাকসামে কোন ধরনের অস্ত্রোপাচার ছাড়াই শারমিন আক্তার নামক প্রসূতির জন্ম নেয়া ৫ নবজাতকের মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য দুই নবজাতকের ব্যয়বহুল চিকিৎসায় পরিবারের সদস্যরা হিমশিম খাচ্ছেন। আদরের দুই নবজাতককে বাঁচাতে দেশের বিত্তবানদের প্রতি আকুতি জানিয়েছেন তাদের পিতা মাদ্রাসা শিক্ষক মিজানুর রহমান।

জানা যায়, গত বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে কোনো ধরনের অস্ত্রোপচার ছাড়াই একে একে পাঁচ সন্তানের জন্ম দেন লাকসামের উল্টরদা ইউনিয়নের পোলাইয়া গ্রামের গৃহবধূ শারমিন আক্তার। এর মধ্যে তিনটি ছেলে ও দুইটি মেয়ে। জন্মের পর নবজাতকদের ওজন কম হওয়ায় চিকিৎসার উদ্দেশে কুমিল্লায় রওনা হলে অক্সিজেনের অভাবে পথিমধ্যে এক ছেলে ও এক মেয়ে মারা যায়। অপর তিন নবজাতককে কুমিল্লা মডার্ন হাসপাতালের বেবি-ইনকিউবেটরে রাখা হয়। ব্যয়বহুল চিকিৎসা হওয়ায় শুক্রবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে তাদের ঢাকা শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সিট সঙ্কটের কারণে ভর্তি করাতে না পেরে ধানমন্ডির উইমেন্স অ্যান্ড চিলড্রেন জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই হাসপাতালের ইনকিউবেটরে তিন নবজাতককে ভর্তি করা হলেও রবিবার (১৬ আগস্ট) রাতে আরও এক ছেলে মারা যায়। সেখানে তাদের চিকিৎসায় প্রতিদিন ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা করে খরচ হচ্ছে।

মাদ্রাসা শিক্ষক মিজানুর রহমানের এত টাকা খরচ বহন করার সামর্থ নেই। তাই বেঁচে থাকা দুই নবজাতককে ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালের শিশু ইউনিটে স্থানান্তরের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মিজানুর রহমান বলেন, আমার স্ত্রীর একে একে ৫ সন্তান জন্ম নেয়ায় আমাদের পরিবারের সদস্যরা খুবই আনন্দিত ছিল। কিন্তু তিনটি নবজাতক মৃত্যুবরণ করায় আমরা গভীর শোকাহত। অন্য দুইজনের ব্যয়বহুল চিকিৎসায় চরম হিমশিম খাচ্ছি। মাদ্রাসা থেকে যে বেতন পাই তা দিয়ে সংসার চালাতেই কষ্ট হয়। আদরের দুইটি সন্তানকে বাঁচাতে তিনি দেশের বিত্তবানদের প্রতি আকুতি জানিয়েছেন।সুত্রঃবাংলাদেশ প্রতিদিন

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।