1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
শ্রীবরদীতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের শীতকালীন সবজি বীজ বিতরণ কেশবপুরে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত কেশবপুরে “নিরাপদ সড়ক চাই” প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত নকলায় গরুবাহী ট্রাক দুর্ঘটনায় ১৩টি গরুসহ একজন নিহত কেশবপুরের ডহুরী জলমহল হস্তান্তর করার পূর্বেই বিষ প্রয়োগ, ২৪ লাখ টাকার দেশীয় মাছের ক্ষতি শ্রীবরদীতে ইটভাটার পাহারাদার হত্যা মামলার তিন আসামী গ্রেফতার শেরপুর জেলা ছাত্রলীগের নয়া কমিটির বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা। ধর্ষিতা কিশোরী অন্ত:সত্বা- ধর্ষণকারীর ফাঁসি চায় এলাকাবাসী কেশবপুরে মৎস্য ঘেরের ভেড়িতে গাঁজার চাষ, গ্রেফতার ১জন কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১ চিকিৎসকের পদ শূণ্য

সরকার সার ব্যবস্থাপনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছে : কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪৭ Time View

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কৃষিবান্ধব বর্তমান সরকার সার ব্যবস্থাপনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। ফলে, দেশে সার নিয়ে কোন সংকট নাই। সার নিয়ে কৃষকের কোন কষ্ট নাই।

আজ কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘সার বিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শক কমিটির’ সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সভায় শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, শিল্পসচিব কে এম আলী আজম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন কৃষি সচিব নাসিরুজ্জামান।

 

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে শুরু থেকেই বর্তমান সরকার কৃষি উৎপাদনের উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করে। প্রথমেই সারের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ডিএপি সারের দাম ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে ২৮ টাকা, টিএসপি ৮০ টাকা থেকে ২২ টাকা এবং পটাসিয়াম ৭০ টাকা থেকে ১৫ টাকা নির্ধারণ করে। এটি ছিল একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। সারের দাম কমানো সিদ্ধান্ত এবং কৃষকসহ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই বাংলাদেশ কৃষি উৎপাদনে বেড়েছে এবং দেশ আজ দানাদার জাতীয় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে।

সভায় নিবিড় ও সম্প্রসারিত চাষাবাদের প্রয়োজনে চলমান ২০২০-২১ অর্থ-বছরে রাসায়নিক সারের চাহিদা পুননির্ধারণ করা হয়েছে। এতে অতিরিক্ত ১ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া ও ২ লাখ মেট্রিক টন ডিএপি সার সংগ্রহের সিদ্ধান্ত হয়েছে। চলমান অর্থ-বছরে ইউরিয়া ২৫ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন, ডিএপি ১৫ লাখ মেট্রিক টন, টিএসপি, এমওপি, জিপসাম প্রভৃতিসহ সকল রাসায়নিক সারের চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ মেট্রিক টন।

সুত্রঃবাংলাদেশ প্রতিদিন

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।