1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন

সুখ-দুঃখে যে দোয়া পড়বেন

অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫৫ Time View

সুখ ও দুঃখ মানুষের জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়ানো। সুখের পর দুঃখ আবার দুঃখের পরে মানুষ সুখের সময় অতিবাহিত করে। সর্বাবস্থায় মুমিন মুসলমান মহান আল্লাহর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে থাকেন। সুখ-দুঃখের এ সময়গুলোতে নিজেদের আবেগকে দমন করা মুমিন মুসলমানের জন্য খুবই জরুরি। কোরআন সুন্নায়  সর্বাবস্থায় নিজেকে নিয়ন্ত্রণের উপদেশ দেওয়া হয়েছে। আবেগ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মহান আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আল্লাহতায়ালা বলেন- এটা এ জন্য যে, তোমরা যা হারিয়েছ তাতে যেন তোমরা বিমর্ষ না হও। যা তিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন, তার জন্য তোমরা আনন্দিত না হও। গর্বকারী ও অহঙ্কারীদের আল্লাহ পছন্দ করেন না। (সুরা হাদিদ : আয়াত ২৩) বরং সুখ ও দুঃখের সময় নিজেদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হাদিসে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা ও আশ্রয় চাওয়ার দোয়া শেখানো হয়েছে। তা হলো দোয়ার (আরবি উচ্চারণ) : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আদলা ফিল গাদাবি ওয়ার রিদা। অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ক্রোধ ও সন্তুষ্টি উভয় অবস্থায়ই মধ্যম পন্থা কামনা করি। মুমিন মুসলমানের উচিত প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিসের ওপর আমল করা। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমাকে দুটি শব্দ উচ্চারণ থেকে নিষেধ করা হয়েছে। তা হলো দুঃখের সময় বোকামিসুলভ (হায়! হায়!)  আর অন্যটি হলো (আনন্দের অতিমাত্রায়) পাপসুলভ (হুররে! বা হাহ্হা) শব্দ। (আল্লাহর পক্ষ থেকে) নেয়ামত পেলে (পাপ হয় এমন শব্দে) ‘হুররা বা হাহ্হা’ করা। আর বিপদের সময় বোকামিবশত হায়!, আফসোস করা। অর্থাৎ বড় নিঃশ্বাস ফেলা। আল্লাহতায়ালা মুসলিম উম্মাহকে সুখ-দুঃখ সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর ভরসা ও ধৈর্য ধারণ করার মাধ্যমে আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করার তৌফিক দান করুন।  গর্ব ও অহঙ্কার থেকে বিরত থাকার তৌফিক দান করুন এবং দুঃখ ও আনন্দের আতিশয্যে তাঁর অবাধ্যতা থেকে মুক্ত থাকার তৌফিক দান করুন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।