1. [email protected] : somoyerahoban :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১২:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
করোনায় আক্রান্তদের পাশে শেরপুরের এক ঝাঁক যুবক। গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগ শেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে গরীব মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগ শেরপুর জেলা শাখা সভাপতি মোঃশফিকুল ইসলাম ফারুক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। নালিতাবাড়ী নয়াবিল ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরন শেরপুরে কমরেড আবুল বাশার ব্রি‌গেড স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরণ নালিতাবাড়ীতে ২৫০ অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঝিনাইগাতীতে সাংবাদিকের পিতার ইন্তেকাল সুনামগঞ্জের বাদাঘাটে জমে উঠেছে বৃহৎ কোরবানীর পশুর হাট নালিতাবাড়ীতে ২৫০ অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনে সরকারের নতুন নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৩৪ Time View

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো  পালন করতে  নতুন করে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন/পালন’ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে। একইসঙ্গে ২০১২ সালের ৭ নভেম্বর জারিকৃত এ সংক্রান্ত পরিপত্র বাতিল করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে দেখা যায়, আগের মতই সবগুলো দিবসকে তিনটি শ্রেণিতে রাখা হয়েছে। ‘ক’ শ্রেণিতে থাকা ১৮টি দিবসকে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন বা পালন করা হবে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, ‘খ’ শ্রেণির ৩৪টি দিবসের মধ্যে যেসব দিবস ঐতিহ্যগতভাবে পালন করা হয়ে থাকে অথবা বর্তমানে দেশের পরিবেশ সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণের জন্য বিশেষ সহায়ক, সেসব দিবস উল্লেখযোগ্য কলেবরে উদযাপন/পালন করা যেতে পারে।

 

‘খ’ শ্রেণির দিবসের অনুষ্ঠানে মন্ত্রীরা সম্পৃক্ত থাকবেন এবং এ ধরনের অনুষ্ঠানের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। এ পর্যায়ের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সরকারি উৎস থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা যেতে পারে।

‘গ’ শ্রেণিতে থাকা ৩৩টি দিবস নিয়ে পরিপত্রে বলা হয়েছে, বিশেষ খাতের প্রতীকী দিবসগুলো সীমিত কলেবরে উদযাপন/পালন করা হবে। মন্ত্রীরা এসব দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিতির বিষয় বিবেচনা করবেন। উন্নয়ন খাত থেকে এসব দিবস পালনের জন্য কোনো বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হবে না।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়, তিন ধরনের দিবস ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো আরও কিছু দিবস উদযাপন/পালন করে থাকে, যেগুলো গতানুগতিক ধরনের।

এ নিয়ে পরিপত্রে বলা হয়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে এগুলো পুনরাবৃত্তিমূলক এবং বর্তমান সময়ে তেমন কোনো গুরুত্ব বহন করে না। সরকারের সময় এবং সম্পদ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি সংস্থাগুলো এ ধরনের দিবস উদযাপন/পালনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পরিহার করতে পারে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, সরকারিভাবে গৃহীত কোনো কর্মসূচি যাতে অফিসের কার্যক্রমে ব্যাঘাত না ঘটায়, তা নিশ্চিত করতে হবে এবং আলোচনা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছুটির দিনে অথবা অফিস সময়ের পরে আয়োজনের চেষ্টা করতে হবে।

কোনো দিবস বা সপ্তাহ উদযাপন/পালন উপলক্ষে রাজধানীর বাইরে থেকে বা জেলা পর্যায় থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঢাকায় আনা যথাসম্ভব পরিহার করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।সুত্রঃবিডি প্রতিদিন

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।