1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কেশবপুর পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম আবারো মেয়র পদে আওয়ামী লীগের চুড়ান্ত প্রার্থী পৌরসভা নির্বাচনে নালিতাবাড়ীতে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী বাছাই শ্রীবরদী পৌরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটে আ’লীগের প্রার্থী বাছাই: বিজয়ী সফিক শেরপুর পৌর নির্বাচন : আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটে শেরপুরে আনিস বিজয়ী কেন্দ্রীয় নির্দেশনা উপেক্ষা প্রতিবাদে আ’লীগের এক মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংবাদ সম্মেলন তুরস্কে হ‌বে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য,বাংলা‌দে‌শে হ‌বে আতাতুর্কের ভাস্কর্য অঝোরে কাঁদলেন অপু বিশ্বাস! দ্বিতীয় ধাপে ৬১ পৌরসভার ভোট ১৬ জানুয়ারি শেরপুরে মায়ের বিরুদ্ধে শিশুকে হত্যার অভিযোগ কেশবপুরে ৫শত বছর বয়সী বনবিবি তেঁতুল গাছটি সংরক্ষণের দাবি

নালিতাবাড়ীতে খাদ্যবান্ধব কর্মসুচির ২৫ বস্তা সরকারী চাউল উদ্ধার

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৬৯ Time View

নালিতাবাড়ী প্রতিনিধি
শেরপুরের নালিতাবাড়ী পোড়াগাঁও ইউনিয়নে বুধবার বিকেলে হত দরিদ্রদের জন্য দেওয়া খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির সরকারী ২৫ বস্তা চাউল উদ্ধার হয়েছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, পোড়াগাঁও ইউনিয়নের খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির ২ জন ডিলার যথারীতি কার্ডধারীদের মাঝে চাউল বিতরণ করে আসছেন। বুধবার দুপুরে অত্র ইউনিয়নের বেকিকুড়া আশ্রায়ন কেন্দ্রের হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী ইব্রাহিমের কাছে তিন বস্তা সরকারী চাউল পাওয়া যায়।

এরই সুত্র ধরে ওই আশ্রায়ন কেন্দ্রে গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয়দের অনুসন্ধানে ইব্রাহিমের রান্নাঘরে তালাবদ্ধ অবস্থায় আরো ১৮ বস্তা চাউল মজুদ থাকতে দেখা যায়।

বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর আলম মাসুম কে অবহিত করা হয়। পরে খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পোড়াগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ মিয়া ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই ঘরের তালা ভেঙ্গে খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির সরকারী ১৮ বস্তা চাউল উদ্ধার করেন। একই সময়ে সমশ্চুড়া এলাকা থেকে আরো ৪ বস্তা চাউল উদ্ধার করা হয়।
ইব্রাহিম খলিল বলেন-আবুল কালাম নামে একজন ফরিয়া তাকে বস্তা প্রতি ১০/২০ টাকা দিয়ে সরকারী এই চাউল ক্রয় করিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। এর আগেও দিনি কালামকে ভিজিডির চাউল ক্রয় করে দিয়েছেন বলে শিকার করেন।
খাদ্যবান্ধব কর্মসুচির পোড়াগাঁও ইউনিয়নের ডিলার জয়ন্তি মারাক সরকারী চাউল কেনা বেচার ব্যাপারে অস্বীকার করেন।

সাবেক ডিলার বন্ধনা চাম্বু গং বলেন-এখানে কোনো চাউল কেনা বেচা হয়নি। এই ইউনিয়নের অনেক স্বচ্ছল ব্যক্তিরাও হত দরিদ্র কার্ড পেয়েছেন। এই লোকগুলো ডিলার পয়েন্ট থেকে চাউল ক্রয় করে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বিক্্ির করে দিচ্ছেন। উপযুক্ত ব্যক্তিরা কার্ড না পাওয়ায় এমন সমস্যা শোনা যাচ্ছে।
চেয়ারম্যান আজাদ মিয়া বলেন- হতদরিদ্রদের দেওয়া ১০ টাকা কেজির এই চাল সিন্ডিকেটের হাতে চলে যাচ্ছে। এর আগেও এই ইউনিয়নের একজন ডিলার পরিবর্তন হয়েছেন। বিষয়টি সঠিকভাবে যাচাই বাছাই করে প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেন তিনি এবং এই ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করেন।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।