1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত কেশবপুরে মাদ্রাসা প্রধানের বিরুদ্ধে ট্রাষ্ট সম্পত্তি ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় অনিয়মের অভিযোগ কেশবপুরে এবার একদিনেই সম্পন্ন করা হবে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মবার্ষিকী ‘মধুমেলা’ শেরপুরে মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থীর সমর্থকদের বিক্ষোভ, আটক ২ কেশবপুরে ওজনে কম দেওয়ায় ভোক্তা অধিকার আইনে ভ্রাম্যমান আদালতে ২ মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীকে জরিমানা কেশবপুরে গভীর রাতে ঘুমন্ত মা ও ছেলের উপর সন্ত্রাসী হামলা, বসতবাড়ী ভাংচুর, থানায় অভিযোগ নালিতাবাড়ীতে ইমরান সালেহ প্রিন্স-জনগণ যদি ভোট দিতে পারে,তাহলে বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। ঝিনাইগাতীতে দুই ট্রাকের মুখো-মুখি সংঘর্ষে আহত ২ ঝিনাইগাতীতে ৫০ বছর পর বধ্যভুমি সংরক্ষণের উদ্যোগ নিলেন – জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব নালিতাবাড়ীতে বাবলু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাউন্সিলর নির্বাচিত

কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১ চিকিৎসকের পদ শূণ্য

মীর আজিজ হাসান (যশোর)কেশবপুর প্রতিনিধি।
  • Update Time : শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ২১ Time View

কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১ জন কনসালটেন্ট চিকিৎসকের পদ শূন্য থাকায় রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অথচ দিনদিন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

যশোর জেলা সদরের ৩৩ কিলোমিটার দূরে কেশবপুর উপজেলা শহরটি অবস্থিত। উপজেলার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষের একমাত্র সরকারি চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান এটা। এছাড়াও কেশবপুর উপজেলা শহর হতে উত্তর পার্শ্বে মণিরামপুর উপজেলা, পশ্চিমপার্শ্বে কলারোয় উপজেলা, দক্ষিণপার্শ্বে তালা থানা ও পাটকেলঘাটা উপজেলা এবং পূর্বপার্শ্বে ডুমুরিয়া, উপজেলাগুলি কেশবপুর উপজেলার চতুর্সীমায় অবস্থিত। যার কারণে চিকিৎসা সেবা নেওয়ার জন্য এই সকল উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম সমূহের জরুরি রোগীদের কেশবপুর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। যার কারণে এই হাসপাতালে রোগীদের ভিড় সার্বক্ষনিক লেগেই থাকে। ডাক্তার স্বল্পতার কারণে রোগীর স্বজনদের ভোগান্তি পোহাতে হয় এবং রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হন।

কেশবপুর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালে চিকিৎসকের পদ হলো ৩১ টি। এর মধ্যে ২০ জন তরুণ চিকিৎসক থাকলেও ১১ জন কনসালটেন্ট এর পদ দীর্ঘদিন যাবৎ শূন্য।

বৃহস্পতিবার কেশবপুর হাসপাতাল পরিদর্শনকালে বর্হিঃবিভাগে দেখা গেছে ডাক্তারের স্লিপ নেওয়ার জন্য রোগীদের লম্বা লাইন।

সূত্রে জানা যায়, ১ নভেম্বর হতে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালের বর্হিঃবিভাগে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেছেন ৬ হাজার ২৩৫ জন। এর মধ্যে ২৬ নভেম্বর বর্হিবিভাগে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেছেন ৩৪৪ জন। বিপুল সংখ্যক রোগীদের উপস্থিতির কারণে অল্প সংখ্যক ডাক্তারদের উপস্থিতিতে একজন ডাক্তারকে প্রতিনিয়ত ২শ’ থেকে আড়াইশ’ রুগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে হয় যা সম্পূর্ণ অকল্পনীয়। এছাড়াও আন্ত বিভাগে গত ২২ দিনে রোগী ভর্তি হয়েছে ৪২১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৭৩, মহিলা রোগী ২৪৮ জন। ২৬ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি রোগী ছিলো ৫২ জন। এছাড়াও গত ২৬ দিনে অপারেশন থিয়েটারে সিজার হয়েছেন ১১ জন রোগী।

এদিকে প্যাথলজী বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২৬ নভেম্বর ৩৪টি রোগীর বিভিন্ন টেস্ট করানো হয়। যার কারণে পহেলা নভেম্বর থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত প্যাথলজী বিভাগ হতে সরকারের রাজস্ব ফান্ডে জমা হয়েছে ৫০ হাজার ১০ টাকা।

কেশবপুর হাসপাতালের প্যাথলজী বিভাগের যক্ষা ও কুষ্ঠ রোগী নিয়ন্ত্রক সহকারি নাজমূল করিম আক্ষেপের সঙ্গে জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে কেশবপুর যতটা ঝূঁকিপূর্ণ নয় তার থেকে অধিক ঝূঁকিপূর্ণ যক্ষা রোগের জন্য। গত ১১ মাসে এই হাসপাতালে যক্ষারোগী চিকিৎসা নিয়েছেন ৪৪০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৬ জন রোগীর। অথচ গত ৮ মাসে সারা বিশ্বে করোনার এত ভয়াবহ অবস্থার মধ্যেও কেশবপুরের করোনা পরিস্থিতি খুব একটা ঝূঁকিপূর্ণ ছিলো না। সেক্ষেত্রে করোনা নিয়ে সরকারের যতটা সদিচ্ছা ও গুরুত্ব দেখা গেছে যক্ষার ক্ষেত্রে ততটা গুরুত্ব দেখা যায়নি।

এ ব্যাপারে কেশবপুর হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আলমগীর হোসেন সাংবাদিকদের জানান, কেশবপুর হাসপাতালে ভৌগলিক অবস্থানের কারণে রোগীর ভিড় সব সময় লেগেই থাকে। ৫০ শয্যার হাসপাতাল থাকার পরও অধিকাংশ সময়ে ৭০ থেকে ৭৫ জন রোগী ভর্তি থাকে। যার কারণে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের জনবল কাঠামো প্রয়োজনমত থাকা দরকার।।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।