1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কেশবপুরে বোরো ক্ষেতে গরুর বদলে মই টানছে মানুষ কেশবপুর উপজেলা শিক্ষক কর্মচারী ক্রেডিট ইউনিয়নের ১৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত বিনামূল্যে সকল নাগরিকের করোনা টিকা দিতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত কেশবপুরে মাদ্রাসা প্রধানের বিরুদ্ধে ট্রাষ্ট সম্পত্তি ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় অনিয়মের অভিযোগ কেশবপুরে এবার একদিনেই সম্পন্ন করা হবে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মবার্ষিকী ‘মধুমেলা’ শেরপুরে মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থীর সমর্থকদের বিক্ষোভ, আটক ২ কেশবপুরে ওজনে কম দেওয়ায় ভোক্তা অধিকার আইনে ভ্রাম্যমান আদালতে ২ মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীকে জরিমানা কেশবপুরে গভীর রাতে ঘুমন্ত মা ও ছেলের উপর সন্ত্রাসী হামলা, বসতবাড়ী ভাংচুর, থানায় অভিযোগ নালিতাবাড়ীতে ইমরান সালেহ প্রিন্স-জনগণ যদি ভোট দিতে পারে,তাহলে বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।

কেশবপুরে স্বাধীনতার বিজয় স্মৃতিস্তম্ভটি ভেঙে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

মীর আজিজ হাসান (যশোর)কেশবপুর প্রতিনিধি।
  • Update Time : শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২০ Time View

কেশবপুর শহরের স্বাধীনতার স্মারক বিজয় স্তম্ভটি রাতারাতি ভেঙে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। রাতের আঁধারে কে বা কারা এই স্মৃতিস্তম্ভটি ভেঙে ফেলছে তা জানা যায়নি।

বিজয় স্তম্ভ ভেঙে ফেলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার কেশবপুরে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উদ্যোগে যশোর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মরকলিপি প্রদান করা হয়েছে। কেশবপুর শহরের প্রবেশ মুখে ২০১০ সালে খোঁজাখালের পাড়ে একটি বিজয়স্তম্ভ তৈরি করা হয়। জাতীয় দিবসে বিশেষ করে স্বাধিনতা দিবস ও বিজয় দিবসে প্রশাসন এবং কেশবপুরের সর্বসাধারণ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করে আসছেন। হটাৎই বিজয় স্তম্ভটি ভেঙে সমান করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। কে বা কারা এই স্বাধিনতার স্মৃতিস্তম্ভটি ভেঙে ফেললো তা কেশবপুরের উপজেলা প্রশাসনও কিছুই জানে না বলে জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার কেশবপুরের একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উদ্যোগে বিজয় স্তম্ভ ভেঙে ফেলার প্রতিবাদে স্মরকলিপি দেওয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি হারুন অর রশিদ, কেশবপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি আইনজীবী আবু বক্কর সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, বেগমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন মন্ডল, প্রথম আলোর যশোর জেলা প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম। স্মারক লিপিতে পাঁচদফা দাবি পেশ করা হয়। দাবি গুলোর মধ্যে যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের খুঁজে বের করে আইনগত পদক্ষেপ নিতে হবে। বিজয় দিবসের আগে বিজয় স্তম্ভটি পুন:নির্মাণ করতে হবে। বিজয় দিবসের আগে সুবিধাজনক জায়গায় স্তম্ভটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদনের ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় মুক্তিকামি জনতাকে একত্রিত করে আন্দোলন করা হবে।

কেশবপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, কে বা কারা বিজয় স্তম্ভ ভেঙেছে তা জানা নেই। তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জনানো হয়েছে। যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।