1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কেশবপুরে বোরো ক্ষেতে গরুর বদলে মই টানছে মানুষ কেশবপুর উপজেলা শিক্ষক কর্মচারী ক্রেডিট ইউনিয়নের ১৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত বিনামূল্যে সকল নাগরিকের করোনা টিকা দিতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত কেশবপুরে মাদ্রাসা প্রধানের বিরুদ্ধে ট্রাষ্ট সম্পত্তি ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় অনিয়মের অভিযোগ কেশবপুরে এবার একদিনেই সম্পন্ন করা হবে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মবার্ষিকী ‘মধুমেলা’ শেরপুরে মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থীর সমর্থকদের বিক্ষোভ, আটক ২ কেশবপুরে ওজনে কম দেওয়ায় ভোক্তা অধিকার আইনে ভ্রাম্যমান আদালতে ২ মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীকে জরিমানা কেশবপুরে গভীর রাতে ঘুমন্ত মা ও ছেলের উপর সন্ত্রাসী হামলা, বসতবাড়ী ভাংচুর, থানায় অভিযোগ নালিতাবাড়ীতে ইমরান সালেহ প্রিন্স-জনগণ যদি ভোট দিতে পারে,তাহলে বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।

আজ ৭ ডিসেম্বর নালিতাবাড়ী মুক্ত দিবস।

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫৩ Time View

নালিতাবাড়ী প্রতিনিধি
আজ ৭ ডিসেম্বর নালিতাবাড়ী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে পাকহানাদার বাহিনীদের পরাস্ত করে নালিতাবাড়ীকে দখল মুক্ত করেন।
মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,পাকহানাদার বাহিনী বর্তমান উপজেলা পরিষদ, রামচন্দ্রকুড়া ফরেস্ট অফিস, হাতিপাগার বিডিআর ক্যাম্প তিনআনী বাজার ও ঝিনাইগাতির আহাম্মদ নগরে ক্যাম্প স্থাপন করে। দীর্ঘ ৯ মাসে নাকুগাঁও (বর্তমান স্থলবন্দর) ঢালু সীমান্তে ২৫ মে ভোরে পাকিস্তানী হায়েনার দল অতর্কিত হামলা চালিয়ে ৯ জন ভারতীয় বিএসএফসহ কয়েকশ বাংলাদেশিকে হত্যা করে পাশের ভোগাই নদীতে ভাসিয়ে দেয়।
৩০ জুন তন্তর গ্রামের সাত জনকে হত্যা করে। মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করার অপরাধে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে অর্ধশতাধিক মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে পাকহানাদার বাহিনী। নন্নীবারমারী সড়কে একজন ক্যাপ্টেনসহ ছয়জন সৈন্য জিপ দিয়ে যাওয়ার সময় মাইন বিস্ফোরণে পাকবাহিনী আতংকিত হয়ে পড়ে। শেষে কৌশল পরিবর্তন করে নালিতাবাড়ী থানা সদরে রাজাকার আল বদরদের সহায়তায় শক্ত ঘাঁটি স্থাপন করে।
এরপর ২৫ জুলাই উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়নের সোহাগপুর গ্রামে ১৮৭ জন নিরীহ গ্রামবাসীকে হত্যা করে।পরবর্তীতে সেই গ্রামের নাম হয় বিধবা পাড়া।
১ ডিসেম্বর এ ঘাঁটি থেকে শত্রুমুক্ত করার জন্য মুক্তিযোদ্ধারা অভিযান চালালেও সফল হতে পারেনি। বরং হাছেন আলী মুন্সি, আয়াত আলী নামে দুই জন মুক্তিযোদ্ধা শাহাদত বরণ করেন। রাজাকার আলবদররা এ দুই বীরের মরদেহ নিয়ে পৈশাচিক উল্লাসে মেতে ওঠে। তাদের পায়ে রশি বেঁধে টেনে শহরের অদূরে মাটি চাপা দেয়।
৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর থেকে পুনরায় ক্যাম্প দখলের লড়াই শুরু হয়। এ লড়াইয়ে মিত্রবাহিনীর একটি ও মুক্তিযোদ্ধাদের দুটি দল অংশ নেয়। টানা দুইদিন দুইরাত গুলিবর্ষনের পর ৬ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনীর জঙ্গি বিমান দিয়ে বোম্বিং করার পরিকল্পনা করে। এতে জান-মালের ক্ষয়ক্ষতির কথা চিন্তা করে সে পরিকল্পনা বাদ দেওয়া হয়। এদিকে মুক্তিযোদ্ধাদের গোলাবারুদ ফুরিয়ে যাওয়ায় তারা আক্রমণ শিথিল করে দেয়। এ সময় ক্যাম্পের আলবদর, রাজাকাররা পালিয়ে যায়।
অবশেষে ৭ ডিসেম্বর পিছু হটে হানাদার বাহিনী মুক্ত হয় নালিতাবাড়ী । উড়নো হয় লাল সবুজের পতাকা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।