1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
নালিতাবাড়ীতে মার্সেল ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন হৃদরোগের আশঙ্কা আছে কি না, বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে মুহূর্তেই পরীক্ষা করবেন যেভাবে ঝিনাইগাতীতে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নালিতাবাড়ীতে বিদ্যুতের লোড সেডিংয়ে অতিষ্ট সাধারণ মানুষ ঝিনাইগাতীতে নিখোঁজের ১৮দিনেও মাদ্রাসা ছাত্রের সন্ধান মেলেনি শ্রীবরদীতে তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষণে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ঝিনাইগাতীতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে কৃষক হত্যার চেষ্টা ঝিনাইগাতীতে পাখি শিকারীকে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা ঝিনাইগাতীতে ৭ দিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃত স্কুলছাত্রী ঝিনাইগাতীতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মুক্তিযোদ্ধার দাফন

কেশবপুরে করোনাকালীন সহায়তা প্রকল্প তালিকায় অমৎস্যচাষীর নাম

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১২৮ Time View

যশোরের কেশবপুরে মৎস্য নীতিমালা উপেক্ষা করে প্রকৃত মৎস্যচাষীদের বঞ্চিত রেখে সাসটেইনেবল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পে (করোনা সহায়তা তালিকা) অধিকাংশ অমৎস্য চাষীর নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মৎস্য চাষীরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তালিকা থেকে ভূয়া নাম বাদ দিয়ে নুতন তালিকা প্রণোয়নের দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, কোভিড-১৯ এ কর্ম না থাকায় প্রকৃত মৎস্য চাষীরা ক্ষতিগ্রস্থ হন। এ সময় সরকার প্রকৃত মৎস্য চাষীদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে মৎস্য অধিদপ্তরের আওতায় সাসটেইনেবল এন্ড মেরিন ফিশারিজ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। এ প্রকল্পের তালিকায় যেসব মৎস্য চাষীর ২ একরের কম ও ২ একর থেকে ৩ একর পর্যন্ত মাছের ঘের রয়েছে তারাই অন্তর্ভূক্ত হবেন। এসব মাছ চাষীদের চিংড়ির খাদ্য ও চিংড়ি পোণা ক্রয় সহায়তা বাবদ এ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ইতোপূর্বে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও কেশবপুর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার সমন্বয়ে ৮টি চিংড়ি চাষী সুফলভোগী দল বা ক্লাস্টার চাষী গঠন করা হয়। এগুলো হলো, সানতলা, কালিচরণপুর, আড়ুয়া, কাঁকবাধাল, বাগডাঙ্গা, গৃধরনগর, কানাইডাঙ্গা ও ডহুরী চিংড়ি চাষী সুফল দল। প্রকৃত পক্ষে এরাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সাসটেইনেবল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পে (করোনা সহায়তা) অন্তর্ভূক্ত হওয়ার কথা। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিস এ ৮টি দলের মধ্যে শুধুমাত্র কালিচরণপুর চিংড়ি চাষী সুফল দলকে সাসটেইনেবল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত করেছে। অদৃশ্য কারণে বাকিদের নাম অন্তুর্ভূক্ত না হওয়ায় তাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ উপজেলার ৭৮০ জন উপকার ভোগীদের ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

গত ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এ তালিকা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করে কেশবপুর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিস। অভিযোগ উঠেছে, যে তালিকা করা হয়েছে তার মধ্যে অধিকাংশ ভূয়া ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এরা কেউ চিংড়ি চাষী নয়। যার কারণে প্রকৃত মৎস্য চাষীরা বঞ্চিত হয়েছেন। প্রকৃত মৎস্য চাষীরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তালিকা থেকে ভূয়া নাম বাদ দিয়ে নুতন তালিকা প্রণোয়নের দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) সরেজমিনে জানা গেছে, মধ্যকুল গ্রামের ইমরান হেসেন, শরিফুল ইসলাম, জুয়েল হোসেন, মাদারডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল হালিম, রাজনগর বাকাবর্শি গ্রামের মজিদ খা, মোকবুল হোসেন, হারুন আর রশিদ, আবু হানিফ শাহীনের চিংড়ি চাষতো দূরের কথা মাছের ঘেরও নেই। যে তালিকা করা হয়েছে তার অধিকাংশ ভূয়া। তালিকায় রয়েছে ১ থেকে ৫ শত বিঘা জমি নিয়ে ঘের করা ব্যক্তিদেরও নাম।

এ ব্যাপারে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সজিব সাহা বলেন, এ তালিকা তৈরীতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যে কমিটির সদস্য সচিব আমি নিজেই। এই কমিটি যাচাই বাছাই করেই তালিকা করেছে। তাছাড়া ক্লাস্টার চাষী পাবে এমন কোন নীতিমালা নেই। বড় চাষী ঢুকেছে এমন অভিযোগ সঠিক নয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তালিকা প্রনয়ন করে আমার দপ্তরে প্রেরণ করলে যাচাই বাচাই করে প্রায় ২০ শতাংশ অমৎস্য চাষীর নাম বাদ দিয়ে তালিকা করা হয়েছে। এরপরও যদি অমৎস্য চাষীর নাম তালিকায় থেকে যায় অভিযোগ পেলেই বাদ দিয়ে প্রকৃত মৎস্য চাষীর নাম অন্তভুক্ত করার এখনো সুযোগ রয়েছে।।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।