1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ঝিনাইগাতীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপিতে প্রার্থী সংকট, আওয়ামী লীগে ছড়াছড়ি সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে ওয়ার্কার্স পার্টির মানববন্ধন ঝিনাইগাতীতে আর্থিক সংকটে মেয়ের চোখের চিকিৎসা করাতে পারছেন না দরিদ্র পিতা না‌লিতাবাড়ী‌তে কমরেড আবুল বাশার ব্রিগেডের উদ্যোগে পুজা মন্ডপে স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরণ ঝিনাইগাতীতে সংসদ সদস্য ফজলুল হকের পূজা মন্ডপ পরিদর্শন নালিতাবাড়ীতে গাছ কেটে র‌শি দি‌য়ে টান দিলে মাথায় পড়ে শ্রমিক নিহত জননেত্রী শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনায় সুশাসনের ফল সকল ধর্মের মানুষ পাচ্ছে। মতিয়া চৌধুরী শ্রীবরদীতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা “যতক্ষণ শেখ হাসিনার হাতে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ”ম‌তিয়া চৌধুরী নালিতাবাড়ীতে মা মেয়েকে সাতজনে মিলে গণধর্ষণ: গ্রেফতার ২

ইতিহাসের এই দিনে প্রথম শেরপুরে (২৩ মার্চ)উড়েছিল স্বাধীন বাংলার পতাকা।

মাসুদ হাসান বাদল
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১
  • ১৫০ Time View

১৯৭১ সনের ২৩ মার্চ এই দিনে শেরপুর শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্কে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পতাকা ওড়ানো হয়। তবে ২৩ মার্চ এই পৌরপার্ক মাঠে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনের সময় শত শত প্রতিবাদী ছাত্র-জনতার মুহুর্মুহু শ্লোগানের মধ্য দিয়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ‘জয়বাংলা’ লেখা সাদা রঙের পতাকা উত্তোলন করেন। পতাকা উত্তোলনের এ অগ্রনায়করা হলেন, তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ নেতা আমজাদ হোসেন, মোজাম্মেল হক, ফকির আক্তারুজ্জামান, আব্দুল ওয়াদুদ অদু,তালাপতুফ হোসেন মঞ্জু, লুৎফর রহমান মোহনসহ আরও অনেকেই।এ তথ্য দিয়েছেন এই পতাকা উড়ানোর অন্যতম উদ্যোক্তা বীর মুক্তযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান।
ওই পতাকাটি বর্তমান সেক্টার কমান্ডার্স ফোরামের সদস্য সচিব জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধা এড.ফকির আক্তারুজ্জামানের কাছে ইতিহাসের সাক্ষি হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে। তখন শেরপুরের সংগ্রাম পরিষদের নেতারা বাংলাদেশের পতাকা কেমন হবে তা নিশ্চিত না হলেও স্থানীয় ভাবে নিজেরই ধারনা করে ওই পতাকাটি তৈরী করেন।
১৯৭১ সনের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষনটি ৮ মার্চ রেডিও’র মাধ্যমে শোনার পর থেকেই শেরপুরের সংগ্রামী ছাত্র-জনতা আরো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। সভা-সমাবেশ, মিছিলে-মিটিংয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরো শেরপুর এলাকা। চলতে থাকে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি। গঠিত হয় সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটি। এ সংগ্রাম কমিটির নেতৃত্বে যারা ছিলেন তারা হলেন, প্রাক্তন এমএনএ এ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান, প্রয়াত নিজাম উদ্দিন আহম্মদ, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান প্রয়াত এ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ, বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা প্রয়াত বিপ্লোবী রবি নিয়োগী, প্রবীন শিক্ষাবিদ মো. মুহসীন আলী, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান ও ভাষা সৈনিক প্রয়াত খন্দকার মজিবর রহমান, প্রয়াত এমদাদুল হক হীরা, ভাষা সৈনিক আব্দুর রশিদ প্রমূখ।
সংগ্রাম পরিষদের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয় বর্তমান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (সার্বিক) বাসভবনটি। সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের প্রথম সমাবেশেই বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে পাকিস্থানি ষড়যন্ত্রের ভয়াবহতা সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিয়ে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়ার আহŸান জানানো হয়। এই সমাবেশেই আড়াইআনি বাড়ির মুক্ত আম্রকাননে (বর্তমান সরাকারী মহিলা কলেজ) স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গঠন করে মুক্তিযোদ্ধের প্রাথমিক প্রশিক্ষন প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এসময় তৎকালীন থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রয়াত গোলাম মোস্তফা দুদুর ওপর অর্পিত হয় প্রশিক্ষন শিবিরের দায়িত্ব। শেরপুর থানা থেকে সংগৃহীত কয়েকটি বন্দুক দিয়ে এখানে শত শত ছাত্র-যুবককে প্রশিক্ষন দেয়া হয়।
এরপর ১ এপ্রিল ভারত সীমান্ত ঘেষা ঝিনাইগাতী থানার রাংটিয়া পাতার ক্যাম্পে স্থাপন করা হয় প্রশিক্ষন শিবির। শেরপুরের ১২ জন যুবক এ প্রশিক্ষন শিবিরে প্রথম ব্যাচে প্রশিক্ষন গ্রহন করেন তারা হলেন, আব্দুল ওয়াদুদ অদু, ফকির আক্তারুজ্জামান, মোকছেদুর রহমান হিমু, প্রয়াত এমদাদুল হক নিলু, তালাপতুফ হোসেন মঞ্জু, প্রয়াত হাবিবুর রহমান ফনু, ফরিদুর রহমান ফরিদ, হযরত আলী হজু, কর্নেল আরিফ, ইয়াকুব আলী, আশরাফ আলী ও মমিনুল হক বেলাল। তথ্য প্রদানকারি আক্তারুজ্জামনের দুঃখ, আগে এ দিনটিকে শেরপুরে পতাকা উত্তোলন দিবস হিসেবে পালন করলেও এখন আর পালন করা হয়না।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।