1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ঝিনাইগাতীতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে ইউপি সদস্যের হাতে চেয়ারম্যান প্রহৃত ঝিনাইগাতীতে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রুমানের রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল কেশবপুরে ১৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬ জন করোনা পজিটিভ নালিতাবাড়ীতে মাদকসেবী,মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোরগ্যাং সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন। সাংবাদিক এমএ হাকাম হীরার মায়ের ইন্তেকাল “বছরে এক লক্ষ ব্যাগ রক্তের যোগান দেবে জাগ্রত ব্লাড ডোনার’স ক্লাব” ”কত মাইনষ্যে ঘর পাইলো, আমি কিছুই পাইলাম না” কেশবপুরে রোগযন্ত্রনা সইতে না পেরে বৃদ্ধার আত্মহত্যা কেশবপুরে পুকুর থেকে কাঠ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার সোহাগপুর বিধবা পাড়ায় শহিদ স্মৃতি সৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

ভাল নেই কুমার সম্প্রদায় । মরার উপর খাড়ার ঘা এখন করোনা।

মাসুদ হাসান বাদল
  • Update Time : শনিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ৭৫ Time View

অতি প্রাচীন শিল্পের নাম মৃৎশিল্প। আবহমান বাংলায় এই মৃৎশিল্পের বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে কুমার বা কৃম্ভকার। প্রচীন কাল থেকেই এই শিল্পের সাথে জড়িত হিন্দু সম্প্রদায়ের পাল বর্ণের লোকেরা। পালরা মাটি দিয়ে কঠোর পরিশ্রমে সুনিপূন হাতে তৈজসপত্র তৈরির মাধ্যমে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। আশির দশকের দিকেও গ্রামের মানুষরা মাটির তৈর বিভিন্ন ধরনের হাঁড়ি, সরা, কলস, বাসন, বদনা, মুড়ি ভাজার খোলা, কোলা, ভাটি ও মঠসহ গৃহস্থালির নানা বস্তু ব্যবহার করতো। আর এসব তৈরি হতো কুমারপল্লীতে। বিশ্বায়নের ফলে ওসব এখন অচল অতীত হয়ে হয়ে গেছে। এখন কুমাররা মাটির তৈরী নার্সারির ফুলফলের টব,দয়ের পাতিলেই আর কিছু দেবদেবীর মূর্তি বানানোর কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। ফলে অনেকেই পেশা বদলাতে বাধ্য হয়েছেন। তারপরও যারা এখনও এই পেশার সাথে আছেন তাদের মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাড়িয়েছে করোন। একে তো জীবিকার র্দূদিন তার উপর করোনা আবার এত প্রতিকূলতার মধ্যে এই জনগোষ্ঠির নেই সরকারি সহযোগীতা। সব মিলিয়ে বড় কষ্ঠে দিনাতিপাত করছে কুমার সম্প্রদায়ের লোকাজন।

জানা গেছে শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের পালপাড়া.বাহারির পাড়া,চেঙ্গুরিয়া ঝিনাইগাতি উপজেলার চাপাঝোড়ায় সবমিলিয়ে শখানেক ঘরের তিন শতাধিক নারী পুরুষ এই পেশায় এখনও আছেন। প্রথা অনুসারে বৌশাখ মাসে এই পেশার উৎপাদন কাজ বন্ধ থাকে। তবে ওই মাসে কুমারদের বানানো কিছু জিনিস পত্র শখ করে ক্রয় কার বাঙালি সংস্কৃতির অংশ। গেল বৌশাখে করোনার লক ডাউনে কিছুই বিক্রি হয়নি। গতবারের মাল পত্রই বিক্রি হয়নি। আসছে রৌশাখের জন্য মালামাল তৈরি করা হচ্ছে। আবারও করোনার ঢেউ আসতে শুরু করেছে। এবার বানানো জিনিস বিক্রি করতে না পারলে মাঠে মারা পড়বে বলে জানিয়েছে কুমার সম্প্রদায়ের লোকজন। পাল পাড়ার কুমার আলো রাণি পাল,মদন পাল,দীপেন চন্দ্র পাল বলেছেন এই শিল্পটি আগের মত আর নেই। অনেকেই পেশা বদল করেছে।কয়েকটি পণ্য চলে তবে গেল করোনায় সব বন্ধ থাকায় বিক্রি হয়নি কিছুই। বৈশাখ মাসকে কেন্দ্র করে মোটামোটি ব্যস্ত সময় পাড় করছি। আবারও করোনায় লক ডাউন হলে পথে বসার জোগাড় হবে। কুমারদের দাবি গেল করোনায় ২/৪ জন ১০ কেজি সরকারি চাল পেয়েছে\ ২হাজার ৫শ করে টাকা দেওয়ার তালিকা জনপ্রতিনিধি ও নেতারা করেছিল কিন্তু পরে কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ও নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ আল মামুন জানিয়েছে সত্বর কুমার সম্পদায়ের লোকদের সাথে যোগাযোগ করে আলাপ আলোচনা করে সরকারি সহযোগীতা করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।