1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম

নালিতাবাড়ীতে দুই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ।

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ২১১৬ Time View

শেরপুর ও নালিতাবাড়ী প্রতিনিধি।
শেরপুর জেলার নালিতবাড়ী উপজেলার দুই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে কোর্টে ও থানায় মামলা করা হয়েছে। একজন উপজেলার মরিচপুরান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক খন্দকার শফিক আহামেদ অপরজন গোড়াগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আজাদ মিয়া।
মামলা ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০ বছর ধরে বিবাহের প্রলোভনে ৪০ বছরের এক নারীর সাথে দৈহিক সম্পর্ক করে যাচ্ছেন পোড়াগাঁও ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আজাদ মিয়া। বারবার বিয়ের জন্য চাপ দিলেও বিয়ে করছেন না। এই অভিযোগ এনে নালিতাবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভিকটিম ওই নারী। অভিযোগে ওই নারী জানান ২০ বছর আগে থেকে ওই চেয়ারম্যান আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে। সর্বশেষ বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে গত ১০ ফেব্রেুায়ারি রাত ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব আলিনা পাড়া এলাকায় চেয়ারম্যানের বাড়ীতে আনা হয়। কিন্তু বিয়ে না করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে সারারাত ধরে ধর্ষণ করে। এরপর বারবার বিয়ের জন্য চাপ দিলেও কোন কাজ হয়নি। অবশেষে ১৫ জুন ওই ভিকটিম পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের বিষয়ে নালিতাবাড়ী সার্কেলের (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) পুলিশ কর্মকর্তা আফরোজা নাজনীন জানিয়েছেন অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তে প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপর দিকে আরেক চেয়ারম্যান খন্দকার শফিক আমাম্মেদ এর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ২০ বছরের এক যুবতিকে ধর্ষনের অভিযোগ এনে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে মামলা করা হয়েছে। মামলা নং ২১৬,তারিখ ২৫ মে। অভিযুক্ত শফিক ওই উপজেলার মরিচপুরান এলাকার বর্তমান চেয়ারম্যান। অভিযোগে লেখা হয় ভিকটিমকে গত ২০ মার্চ বিবাহ করার উদ্দেশ্যে চেয়ারম্যানের শহরের সিটপাড়াস্ত বাড়ীতে এনে একজনকে কাজী ও অপর দুজনকে সাক্ষি বানিয়ে বিবাহ পড়ানো হয়। তারপর থেকে তারা দুজন স্বামী স্ত্রী হিসেবে সংসার করতে থাকেন। কিন্তু গত ২০মে সকালে ওই চেয়ারম্যান ভিকটিমকে বাড়ী থেকে বের করে দেন। ভিকটিমকে জানিয়ে দেওয়া হয় তার সাথে(ভিকটিম) কোন বিয়ে হয়নি। ওই দিনই ভিকটিম আদালতে মামলা করে। আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেয়। পিবিআই কর্মকর্তা সৈদয় মঈনুল হোসেন বলেছেন আদালতের নির্দেশ এখনও হাতে পাইনি। হাতে পেলেই আইনগত ব্যবস্থা।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান শফিক আহামেদ বলেন অভিযোগকারী আমার দ্বিতীয় স্ত্রী। রাজনৈতিক কারণে স্থানীয় মেয়র আবু বক্করকে এজন্য দোষারুপ করেন।
চেয়ারম্যান আজাদ মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন সামনে নির্বাচন প্রতিপক্ষরা আমাকে ঘায়েল করতে এ ধরনের নোংরা অভিযোগ করেছে। আজাদ আরও বলেন তিনি শুনেছেন বাদী অভিযোগ প্রত্যাহার করেছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।