1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ঝিনাইগাতীতে সুকুমার হলেন শুকুর আলী কেশবপুরে বজ্রপাত প্রতিরোধে তালের চারা রোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করলেন এমপি শাহীন চাকলাদার নালিতাবাড়ীতে সনাকের উদ্যোগে ৪০০ তালবীজ রোপন ঝিনাইগাতীতে ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তা বন্ধ করে বিল্ডং নির্মানের অভিযোগের তদন্ত শুরু কেশবপুরে যুব সমাজের উদ্যোগে বজ্রপাত প্রতিরোধে তালের বীজ রোপন শেরপুরে মুজিব শতবর্ষ জেলা দাবা লীগ উদ্বোধন : প্রথমদিন দাবা ক্লাবের পূর্ণ পয়েন্ট লাভ। নালিতাবাড়ীতে মায়ের সাথে অভিমান করে শিশুর আত্মহত্যা শ্রীবরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে হেরোইনসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার সোমেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু লুটপাট চলছেই,পাড় ভেঙ্গে হুম‌কি‌তে বসতবাড়ি নালিতাবাড়ীতে আখ চাষে লাভ,বাড়ছে আবাদ

ঝিনাইগাতীতে একটি রাস্তার জন্য ছয় গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের অন্ত নেই।

মাসুদ হাসান বাদল
  • Update Time : রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১
  • ৩২ Time View

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে আড়াই কিলোমিটার একটি কাঁচা রাস্তার জন্য দুর্ভোগের অন্ত নেই ছয় গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের। উপজেলার মহারশি নদী তীরবর্তী চলাচলে অযোগ্য নলকুড়া-খৈলকুড়া-ঝিনাইগাতী কাঁচা ওই সড়কটি পাকা করণ করতে দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে জানা গেছে ঝিনাইগাতী উপজেলা বাজার সংলগ্ন মহারশি নদীর পাড় ঘেঁষে ব্রিজপাড়ের রাস্তা বা বাঁধ দিয়ে উপজেলা সদরে যাতায়াত করেন উত্তর খৈলকুড়া গ্রামের অন্তত: ১০ হাজার মানুষ। এ রাস্তাটির উত্তর দক্ষিণ দিক অংশ এলজিইডির পাকা করলেও ওই আড়াই কিঃমিঃ অংশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন। পানি উন্নয়ন বোর্ড নজর না দেওয়ার কারণে মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই।স্বাধীনতার পরে ওই রাস্তাটিতে কখনও কখনও স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা মাটি দিয়েছেন। কিন্ত কাজের কাজ কিছুই হয়নি। শুকনা মৌসুমে থাকে বড়বড় গর্ত আর বর্ষা এলে তো কথাই। রাস্তাটির একটি অংশ ভেঙ্গে মিশি গেছে মহারশি নদীতে। বাকী অংশে গর্তকাঁদায় এক অবর্ণনীয় অবস্থা। অন্যান্য যান বাহন চলা দূরের কথা রিক্সাও চলার ব্যবস্থা নেই। তবুও প্রতিদিন জীবনের প্রয়োজনে চলতে হয় অসুস্থ রোগী, কৃষিক, শিক্ষার্থীসহ হাজারও মানুষকে। এলাকাটি কৃষি প্রধান। যোগযোগের এই অবস্থান কারণে এখানের ধানের দাম বাজারের চেয়ে সব সময় ১শ টাকা কম থাকে। অন্যান্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে একই অবস্থা। সাম্প্রতিক পাহাড়ে ঢলে রাস্তাটির অনেকাংশ নদীতে ধ্বসে গেছে। ধ্বসে যাওয়ার কারণে এখন মড়ার উপর খাড়ার ঘায়ে পরিণত হয়েছে ওই সড়কটি। রাস্তাটি মেরামতের জন্য ৫০ হাজার টাকা বরাদ্ধে চলেছে হাস্যকর মেরামতের ব্যবস্থা।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. ওয়াজকুরুনি মিন্টু জানান নির্বাচন এলেই জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচনের পরই রাস্তা করবেন বলে মানুষকে প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্ত এভাবেই চলছে বছরের পর বছর। রাস্তাটির কারণ্ েএই এলাকার মানুষ সকল উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। স্থানীয় গৃহবধূ আনজুরা শিক্ষার্থী মিথিলা জানিয়েছে এভাবে চলতে থাকে অচিরেই বাড়ীঘর নদী গর্ভে চলে যাবে। আমাদের খবর কেউ রাখে না। সরকারের কাছে সবার আবেদন এর কোন বিহিত করা হোক।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন চাঁন বলেন,রাস্তাটি পাকাকরণে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার আবেদন করেও ফল পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে স্থানীয় উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক জানান, রাস্তাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন।
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আল মাসুদ জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডের বড় কোন প্রকল্পে মাধ্যমে ব্যবস্থা নিলেই ভোগান্তি থেকে রক্ষা পাবে এখানকার বিশাল জনগোষ্ঠি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (শেরপুর-জামালপুর) মো.আবু সাইদ জানান বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নজরে আছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ বছরেই একটি ব্যবস্থা হবে বলে ওই প্রকৌশলির আশা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।