1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ঝিনাইগাতীতে সুকুমার হলেন শুকুর আলী কেশবপুরে বজ্রপাত প্রতিরোধে তালের চারা রোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করলেন এমপি শাহীন চাকলাদার নালিতাবাড়ীতে সনাকের উদ্যোগে ৪০০ তালবীজ রোপন ঝিনাইগাতীতে ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তা বন্ধ করে বিল্ডং নির্মানের অভিযোগের তদন্ত শুরু কেশবপুরে যুব সমাজের উদ্যোগে বজ্রপাত প্রতিরোধে তালের বীজ রোপন শেরপুরে মুজিব শতবর্ষ জেলা দাবা লীগ উদ্বোধন : প্রথমদিন দাবা ক্লাবের পূর্ণ পয়েন্ট লাভ। নালিতাবাড়ীতে মায়ের সাথে অভিমান করে শিশুর আত্মহত্যা শ্রীবরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে হেরোইনসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার সোমেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু লুটপাট চলছেই,পাড় ভেঙ্গে হুম‌কি‌তে বসতবাড়ি নালিতাবাড়ীতে আখ চাষে লাভ,বাড়ছে আবাদ

কেশবপুরে মাস্টার্স পাশ দুই ভাইয়ের গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষে সাফল্য

মীর আজিজ হাসান (যশোর)কেশবপুর প্রতিনিধি।
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট, ২০২১
  • ২৯ Time View

যশোরের কেশবপুরে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ শেষে চাকরি না করে কৃষিকাজে মনোযোগী হয়ে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন দুই ভাই অপু ও তপু। অত্যাধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এলাকায়।

মাত্র ৫/৬ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ১৬ শতক জমিতে ৪৫ দিনে তরমুজ চাষ করে প্রায় অর্ধলক্ষ টাকা আয় করবেন এমনটি ধারনা তাদের। স্বপ্ন অনেকটা পুরণ হতে চলেছে, ইতিমধ্যে ৩০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছেন তারা।

সরেজমিন জানাগেছে, উপজেলার মংগলকোট গ্রামের আব্দুল গনি দফাদারের ৩ পুত্রের মধ্যে অপু ও তপু মাস্টার্স পাশ। ক্যারিয়ার গড়তে বছরের পর বছর চাকরির পিছনে না ছুটে তাঁরা কৃষিকাজে মনোনিবেশ করেন। প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইউটিউব ও যশোরের ঝিকরগাছার সফলচাষি তাদের ফুফাত ভাইয়ের পরামর্শ ও সহযোগিতায় মাত্র ১৬শতক জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করেন। আর তাতে সাফল্যও আসে। তাঁরা বলেন, মাত্র ৪৫ দিনে অল্প টাকা বিনিয়োগ করে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষে হাজার হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। জেসমিন-২ জাতের তরমুজের স্বাদ যেমন ভাল, তেমনি ভাল ফলনও পাওয়া যায়। কড়া মিষ্টির কারণে বাজারে এর চাহিদাও বেশি। ১৬শতক জমিতে তরমুজ  চাষে তাদের প্রায় ৫/৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তাঁরা জানান, প্রথমে ৫ শতাধিক চারা রোপন করে প্রত্যেক গাছে দু’টি ফল রেখে বাকি ফল কেটে দিতে হয়। ঐ দু’টি ফল ও গাছ সঠিক পরিচর্যা করলে প্রায় ২ হাজার কেজি তরমুজ উৎপাদন করা সম্ভব। সপ্তাহে ২/৩ দিন পরপর জমি থেকে তরমুজ তুলে বাজারজাত করতে হয়। তাঁরা জানান,  এ পর্যন্ত ৩০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি হয়েছে। ক্ষেতে অবশিষ্ট তরমুজ যা আছে সব মিলিয়ে ৫০ হাজার টাকা বিক্রি হবে। বর্তমানে গ্রীষ্মকালীন দু’টি জাতের তরমুজের ভাল ফলন পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে জেসমিন-২ জাত ৪৫ দিনে ও ব্লাক জাম্বু ৬৫ দিনে উৎপাদন হচ্ছে। জেসমিন-২ ওজনে প্রায় আড়াই কেজি ও ব্লাক জাম্বু ৫ থেকে ৬ কেজি হয়। ইউরিয়া সার বাদে মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করলে প্রায় সব ধরণের সার ব্যবহার করতে হয়। ২৫ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এ জাতের তরমুজের বীজগুলো ভালভাবে অঙ্কুরিত হয়। ফুল ও ফল আসার পর গাছে জিঙ্ক, বোরণ ও ছত্রাকনাশক ব্যবহার করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়, উষ্ণ জলবায়ুতে সবচেয়ে তরমুজ ভাল জন্মায়। এক প্রশ্নের জবাবে সহদর অপু ও তপু বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে পরামর্শ ও সহযোগিতা পেলে আরও ভাল ফলন পাওয়া যেত। ৫নং ইউনিয়ন এলাকার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাকে অনেকবার ফোন দিয়েও তরমুজ ক্ষেতে আনতে পারেননি তাঁরা। ৬নং ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অনাথ বন্ধু দাস বলেন, তরমুজের জন্য প্রচুর রোদ এবং শুস্ক আবহাওয়া প্রয়োজন। মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়া ও অতিবৃষ্টির কারনে ফুল ও ফলের বৃদ্ধি কমে যায় এবং বর্ষাকালে পাকলে তরমুজের মিষ্টির পরিমাণ কমে যায়। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় এ জাতের বীজ বপন ও উৎপাদনের সময় ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত। তবে বীজ বপনের জন্য ফেব্রুয়ারি মাস সর্বোত্তম। গ্রীষ্মকালীন তরমুজ অসময়ে একটি লাভজনক ফসল। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঋতুরাজ সরকার বলেন, অধিক আর্দ্রতা তরমুজ চাষের জন্য ক্ষতিকর। খরা ও উষ্ণ তাপমাত্রা সহনশীল উন্নত জাতের তরমুজের বীজ উর্বর দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটিতে রোপন করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।