1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ১১:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
প্রতিবন্ধী সোলায়মান চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন ঝিনাইগাতীতে রাষ্ট্রপ্রতি পিপিএম পুলিশ পদক পেলেন ওসি ফায়েজুর রহমান সেরা সংগঠক হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেলেন সিরাজুল হক সাজিদ রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক’পে‌লেন মোস্তাফিজুর রহমান রিপন। নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার নালিতাবাড়ীর গোপাল সরকার সাংগঠনিক সম্পাদক হওয়ায় বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের শুভেচ্ছা নালিতাবাড়ীতে বৃদ্ধাকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, কারাগারে পুত্রবধূ ও নাতি। নালিতাবাড়ীতে ওয়ার্কার্স পার্টির কমরেড অমল সেন স্বরণে শীতবস্ত্র বিতরণ নালিতাবাড়ীতে বিটিসিএল অফিস বেহাল,টেলিফোন সংযোগ বিহীন । শেরপুরে ওয়ার্কার্স পার্টির শীতবস্ত্র বিতরণ

বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের প্রথম সদর দপ্তর ছিল যেখানে

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২১
  • ১৩১ Time View
ছবিটি শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রতিরোধ যোদ্ধা কমিটির সভাপতি ফজলুল হক এর কাছ থেকে সংগ্রহ করা।

নালিতাবাড়ী প্রতিনিধি
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে গারোপাহাড়ের পোড়াগাঁও ইউনিয়নের একটি পাহাড়ি টিলার নাম চৌকিদার টিলা। পূর্ব নাম বেদের কোণা। ভারত সীমানা ঘেঁষা এ পাহাড়ি টিলায়ই গড়ে উঠে বঙ্গবন্ধু হত্যার সশস্ত্র প্রতিবাদকারী সংগঠনের প্রথম সদর দপ্তর।
নালিতাবাড়ী প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদের সভাপতি ফজলুল হক সহ বেশ কয়েকজন প্রতিরোধ যোদ্ধার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,৭৫ এর ১৫ আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নৃশংস হত্যা কান্ডের পর অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ১৫ জন সাথী নিয়ে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার গোবরাকুড়া গ্রামে প্রবোধ দিও নামে এক গারো উপজাতির বাড়িতে আসেন। সেখানে দিন কয়েকের মধ্যে একটা ক্যাম্প স্থাপন করে প্রবোধ দিওয়ের উপর দায়িত্ব দিয়ে তিনি দলবল নিয়ে চলে আসেন চৌকিদার টিলা পাহাড়ে। অবস্থান নেন এক উপজাতি গারোর পরিত্যাক্ত বাড়িতে। এরপর বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদের জন্য এখানে তার অবস্থানের কথা প্রচার হতে থাকলে, বেশ কিছু তরুণ-যুবকদের সিদ্দিকির সঙ্গে যোগ দেন। দিনে দিনে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ গ্রহণের সংখ্যা বাড়তে থাকলে এখানে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এই প্রশিক্ষিতদের দিয়েই গঠিত হয় তিনটি কোম্পানি। চৌকিদার টিলার অনতিদূরে বারোমারি মিশনে গড়ে তোলা হয় ডিফেন্স। এভাবে সেখানকার কর্মকান্ড বাড়তে থাকলে এই চৌকিদার টিলাই হয়ে উঠে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের প্রথম প্রধান সদর দপ্তর। এখানকার ক্যাম্প ইনচার্জ হন হালুয়াঘাটের কবিরুল ইসলাম বেগ ও সর্বাধিনায়ক হন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। কিছুদিন এখানে কার্যক্রম চালানোর পর বাংলাদেশ বাহিনী ক্যাম্পটি দখলে নিতে সর্বাত্মক আক্রমণ চালায়। সেই আক্রমণে টিকতে না পেরে কাদের সিদ্দিকি বাহিনী সহ ভারতের সীমান্ত এলাকা চান্দুভুঁই এ প্রবেশ করে সেখানে অবস্থান নেন। পরবর্তীতে চান্দুভুঁই হয় প্রতিরোধ যোদ্ধাদের প্রধান সদর দপ্তর আর চৌকিদার টিলার ক্যাম্পটির বিলুপ্তি ঘটে।
স্থানীয় প্রতিরোধ যোদ্ধারা জানান, খুনি চক্র সেদিন শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি। সেদিন তারা হত্যা করেছিল বাংলাদেশের ইতিহাসকেও। আমরা বঙ্গবন্ধু হত্যার সশস্ত্র প্রতিবাদ করার সুযোগ পেয়ে যেমন গর্বিত, ঠিক তেমনি গর্বিত এই প্রতিরোধ যুদ্ধের প্রথম সদর দপ্তর গড়ে উঠেছিল আমাদের নালিতাবাড়ীর চৌকিদার টিলায়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।