1. admin@somoyerahoban.com : somoyerahoban :
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ঝিনাইগাতীতে সুকুমার হলেন শুকুর আলী কেশবপুরে বজ্রপাত প্রতিরোধে তালের চারা রোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করলেন এমপি শাহীন চাকলাদার নালিতাবাড়ীতে সনাকের উদ্যোগে ৪০০ তালবীজ রোপন ঝিনাইগাতীতে ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তা বন্ধ করে বিল্ডং নির্মানের অভিযোগের তদন্ত শুরু কেশবপুরে যুব সমাজের উদ্যোগে বজ্রপাত প্রতিরোধে তালের বীজ রোপন শেরপুরে মুজিব শতবর্ষ জেলা দাবা লীগ উদ্বোধন : প্রথমদিন দাবা ক্লাবের পূর্ণ পয়েন্ট লাভ। নালিতাবাড়ীতে মায়ের সাথে অভিমান করে শিশুর আত্মহত্যা শ্রীবরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে হেরোইনসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার সোমেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু লুটপাট চলছেই,পাড় ভেঙ্গে হুম‌কি‌তে বসতবাড়ি নালিতাবাড়ীতে আখ চাষে লাভ,বাড়ছে আবাদ

হাতির তান্ডবে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে সীমান্তবাসী

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৬ Time View

নালিতাবাড়ী প্রতিনিধি
ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি বন্য হাতির তান্ডবে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের কৃষকেরা। সন্ধ্যা হলেই হাতির দল নেমে আসে পাহাড় থেকে লোকালয়ে। কয়েকদিনে তান্ডব চালিয়ে প্রায় ২০ একর জমির ফসল খেয়ে ও পা দিয়ে পিষিয়ে নষ্ট করে ফেলছে। ঢাক-ঢোল বাজিয়ে ও আগুন জ্বালিয়ে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন কৃষকরা।
সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক জানায়,এক সপ্তাহ ধরে বন্য হাতির বিশাল একটি দল অবস্থান করছে সীমান্ত ঘেঁষা ভারতীয় মেঘালয় রাজ্যের চেরেংপাড়া পাহাড়ি অঞ্চলে। হাতির এই দলটি প্রায় প্রতিদিন উপজেলার পানিহাটা এলাকার মারং গোঁফ ও তালতলা দিয়ে নেমে আসছে আবাদি জমিতে। কয়েকদিনের অব্যাহত হাতির অত্যাচারে পানিহাটায় বিনষ্ট হয়েছে প্রায় ২০ একর জমির আমন ধানক্ষেত। দিশেহারা ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক। নতুন করে চারা রোপণের আর কোনো উপায় নেই। চলতি বছর বন্য হাতির দল প্রথমে বোরো ধান, গাছের কাঁঠাল খেয়ে সাবাড় করে ফেলে। পরে আমনের বীজতলা মাড়িয়ে নষ্ট করে। এখন আমনের আবাদ বিনষ্ট করছে। খাদ্যের সন্ধানে অভুক্ত হাতিগুলো লোকালয়ে এসে ছুটোছুটি করে। হাতির তান্ডবে এখন তাদের রাত কাটে নির্ঘুমে।
ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক-জয়নাল আবদীন, আবুল হোসেন, আকবর আলী, আ: কাদির, আশালতা, নুরুলা চিশিম বলেন, প্রতি বছর বন্যহাতিগুলো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে। আমরা বন্যহাতির আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে সরকারের সহযোগিতার দাবি জানাই।
পানিহাটা এলাকার এলিফেন্ট রেসপন্স টিমের সভাপতি যোসেফ মারাক বলেন, হাতিগুেেলা পাহাড় থেকে দলবেঁধে নেমে আসে ফসলের ক্ষেতে। রাত জেগে পাহাড়া দিয়েও রক্ষা হয়না। আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা ও ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের ক্ষতি পূরনের দাবী জানাই।
রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম খোকা হাতির আক্রমণ রোধে সরকারের স্থায়ী পদক্ষেপ কামনা করে বলেন, বছরের পর বছর ধরে বন্যহাতির তান্ডবে পাহাড়ি মানুষের জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিসহ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর কবির বলেন,ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকা করে সামনে কোন প্রনোদনা পূনর্বাসন কর্মসূচিতে তাদের অর্ন্তভূক্তি করে কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
কপিরাইট © 2020 somoyerahoban.com একটি স্বপ্ন মিডিয়া সেন্টার প্রতিষ্ঠান।