1. admin@somoyerahoban.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:২৬ অপরাহ্ন

নালিতাবাড়ীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বালুর গাড়ীতে মাদক পাচারের অভিযোগ।

রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩০ বার

নালিতাবাড়ী প্রতিনিধি
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই নদী থেকে অবৈধভাবে রাতের আধাঁরে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। আর সেই বালু বোঝাই গাড়ীতে ফেনসিডিল,মদ ও ইয়াবা পাচারের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিরাতে ১৫ থেকে ২০ টা মেশিন চলে। আর মেশিন প্রতি ১৫ হাজার টাকা দিতে হয় । প্রশাসন মাঝে মাঝে অভিযান চালালেও বালু উত্তোলণ চলছেই।
উপজেলা প্রশাসন ও এলাকাবাসী সুত্রে জানাগেছে,জেলা বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক মেসার্স মর্তুজা এন্টার প্রাইজ প্রোপাইটর মো.হারুন অর রশিদকে ৭১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় ১০ অক্টোবর থেকে ৬ মাসের জন্য ভোগাই নদীর কেরেঙ্গাপাড়া,ফুলপুর ও মন্ডলিয়াপাড়া ৩টি মৌজায় ৯.৮২ একর ভুমি ১৪৩০ সালের ৩০ শে চৈত্র পর্যন্ত ইজারা দেওয়া হয়।
ইজারার শর্ত অনুযায়ী ওই মৌজার বাহিরে বালু উত্তোলন করা যাবে না। কিন্ত প্রভাবশালী একটি মহল ওই মৌজার বাহিরে ভোগাই নদীর উজানে ভারত সীমান্ত এলাকা নাকুগাও স্থলবন্দর সংলগ্ন থেকে বালু উত্তোলণ করে আসছে। এতে বন্দরের কাষ্টম অফিস ও ইমিগ্রেশন অফিস সহ হুমকিতে রয়েছে। রাত ১২ টা থেকে ১টার পর নদীর পশ্চিম পাশে পূর্বপাশে ১৫-২০টা মেশিন চলে। একদিকে বালু উত্তোলণ হয় আর ট্রাকের সাথে মাদক চলে যায় রাজধানীর দিকে। সারারাত একটি মেশিনে ৬-৭ গাড়ী বালু উত্তোলণ করেন । গাড়ী প্রতি ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। ভোর হলেই মেশিন সহ সকল সরঞ্জামাদী গুছিয়ে রেখে দেন। প্রতি রাতে মেশিন প্রতি ১৫ হাজার টাকা উপর মহলকে মিডিয়া সহ ম্যানেজ করার জন্য দিতে হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বালু উত্তোলণ কারীকে প্রশ্ন করা হলে ম্যানেজ বাবদ ১৫ হাজার টাকা দিলে উত্তোলণ কারীর লাভ কী থাকে। তার উত্তর উত্তোলণ খরচ ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা আর ম্যানেজে ১৫ হাজার এতে মোট খরচ হয় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। এখানে বিক্রি হচ্ছে সর্ব নিন্ম ৯০ হাজার টাকা।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, কালাকুমা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আলমাছ আলীর সন্তান মো.জসিম উদ্দিন এর নিয়ন্ত্রনে করছেন সকল কিছু । রাতে আমরা মেশিনের শব্দে ঘুমাতে পারি না। গভীর রাত থেকে সবগুলো মেশিন এক সাথে চালু করেন। এতে বিকট শব্দে এলাকাবাসী অতিষ্ট। এভাবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীতীরবর্তী পশ্চিম পাশে নাকুগাঁও স্থলবন্দর ও পুর্বপাশে বসতবাড়ী হুমকির মুখে পড়েছে।
এ ব্যপারে মো.জসিম উদ্দিন বলেন,আমারে এই জেলার সবাই এক নামে চিনে আমি কি রকম লোক। মাদকের সাথে আমি জড়িত নই। আপনি সাংবাদিক পারলে নিউজ করেন।
নালিতাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মো.মনিরুল ইসলাম ভুইয়া বলেন,আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।
নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও)ইলিশায় রিছিল বলেন,ওই খানে আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ব্যপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্তনাদী রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত...